• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
Headline
নজরুল বর্ষ-২০২৬ উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা জয়পুরহাটে ৭২ কেজির কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ৪ সামাজিক ক্ষমতায়নে ব্র্যাকের সচেতনতামূলক সভা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার, যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড পানছড়িতে বিএনপির সাংগঠনিক সভা, তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ভৈরবে চেয়ারম্যান প্রার্থী আফিকুল ইসলাম হারিছের সমর্থনে উঠান বৈঠক জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হ’ত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হ/ত্যা, ছেলে আটক রামপালে জমি বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় ছেলে নি’হ’ত, বাবা আহত কাপ্তাইয়ে ২৫ ফরেস্ট গার্ডের সপ্তাহব্যাপী বেসিক ফরেস্ট্রি প্রশিক্ষণ শুরু

তিস্তায় উদ্ধারকাজের রেসকিউ বোট ‘নীলসাগর’ ধ্বংসের মুখে

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলায় সীমান্তবর্তী তিস্তা নদীর ভয়াবহ বন্যায় মানুষ, গবাদি পশু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালপত্র উদ্ধারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া কোটি টাকারও বেশি মূল্যের দুটি উদ্ধারকারী নৌকা রেসকিউ বোট এখন ধ্বংস দিকে।

সরকারি নথি অনুযায়ী প্রতিবছর এসব নৌকার রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি ও রং করার জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকে, কিন্তু বাস্তবে কোনো কার্যক্রমই হয়নি। জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া নৌকা দুটির একটি রাখা হয় খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের পাগলপাড়া এলাকায় এবং অন্যটি ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ডনের সাইড ঘাট এলাকায়। তবে দীর্ঘদিনের অবহেলা, অযত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোটি টাকার সরকারি নৌকাগুলো এখন অকোজে হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, নীলসাগর -১ খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের পাগলপাড়া ঘাটে এবং ‘নীলসাগর-২’ ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ডন সাইট ঘাটে রাখা হয়েছে। বরাদ্দের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, রং বা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বহুদিন মেরামতহীন থাকার পাশাপাশি চলতি বছরের বন্যায় দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকার কারণে বোটগুলোর কেবিন, জানালা, আসবাবপত্র এবং যান্ত্রিক সরঞ্জাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে একটি এবং ২০২১ সালে আরেকটি উদ্ধারকারী নৌকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি নৌকার দাম এক কোটি টাকারও বেশি। নৌযানের দৈর্ঘ্য ৫৪ ফুট, প্রস্থ ১২.৫ ফুট এবং ধারণক্ষমতা ৮০ জন যাত্রী। এগুলো ঘণ্টায় ৭ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। উদ্দেশ্য ছিল—বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের জীবন রক্ষা ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া।

কিন্তু বছরজুড়ে নৌকাগুলো অকেজো অবস্থায় নদীর তীরে পড়ে থাকে। রোদ-বৃষ্টি ও অবহেলায় লোহার গায়ে মরিচা ধরেছে, জানালা ও কেবিন ভেঙে গেছে, ইঞ্জিন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। একসময় যে নৌকাগুলো দিয়ে দুর্যোগকালে মানুষকে উদ্ধার করা হতো, সেগুলো এখন ভাঙাচোরা ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category