মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে (স্যাম) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর ও মানসম্মত করতে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও লজিস্টিকস হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির বাস্তবায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা। এ সময় জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, প্রকল্প সমন্বয়কারী বিনোদন ত্রিপুরা, উপজেলা সমন্বয়কারী রাখী ত্রিপুরা, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস অফিসার জোনাকি ত্রিপুরাসহ প্রকল্পের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. অনুতোষ চাকমা বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের ফলে অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে। আগে লজিস্টিকসের ঘাটতি থাকলেও সহযোগী সংস্থাগুলোর উদ্যোগে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখন সরঞ্জাম পাওয়ায় স্যাম ইউনিটের সেবার মান বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সরঞ্জামগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ির সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে স্যাম ইউনিট স্থাপনে সহযোগিতা করছে জাবারাং। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি পরিবারগুলোকে পুষ্টিকর খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অপুষ্টিমুক্ত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগের ফলে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটের চিকিৎসাসেবা প্রদানের সক্ষমতা আরও বাড়বে।