ব্রিটিশ হাইকমিশন ও এশিয়া ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠান স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (SKILL-IT) পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাটের নতুন ডিসি অফিসের সামনে অবস্থিত লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠান স্কিল আইটি পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার মিস লুইস বেইনন, এশিয়া ফাউন্ডেশনের টিম লিডার সারা এল. টেইলর, ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার মিস শাহনাজ করিম,
ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর
মিস রোজি কুম্ব, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. মো. ফরিদুল ইসলাম প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন কার্যক্রমটি সমন্বয় করেন। এ সময় তিনি লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন, SKILL-IT এবং এর বিভিন্ন চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সেবা ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন তারা।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা SKILL-IT-এর চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, অবকাঠামো ও বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন উদ্যোগ পরিদর্শন করেন। পরে স্থানীয় বিভিন্ন সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় বিদেশে দক্ষ জনবল তৈরি, বেকারত্ব হ্রাস এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি কেয়ারগিভিং ও জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় এশিয়া ফাউন্ডেশন ও লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের মধ্যে ভবিষ্যতে দক্ষতা উন্নয়ন, যুব কর্মসংস্থান, সুশাসন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়।
পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভাটি দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাগেরহাটের স্থানীয় উন্নয়নকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।